কাক দ্বারা বশীকরণ মন্ত্র-তন্ত্র: সাধকদের প্রমাণিত একটি তন্ত্র বিদ্যা
কাক দ্বারা বশীকরণ মন্ত্র-তন্ত্র: বিধি— শুক্লা প্রতিপদ অথবা দ্বিতীয়ায় একটি কাক ধরে খাচায় বন্ধ করে রাখবে এবং প্রত্যহ সামান্য পরিমাণে খেতে দেবে , তারপর শনিবার দিন কোনও নির্জন বা গােপন স্থানে নিম্নলিখিত ক্রিয়া করবে। প্রথমে কাচা মাটির একটি প্রদীপ তৈরী করে তাতে তিল তেল ভরে দেবে । এবার একটি সাদা কাগজে কালাে কালির দ্বারা পূর্ব চিত্রানুযায়ী একটি যন্ত্র লিখবে ।
যন্ত্র লিখে কাগজে মুড়ে বাতির মতাে তৈরী করবে । পরে ঐ বাতির চারদিকে সাদা তুলাে দিয়ে মুড়ে তাকে সলিতার মতাে পাকিয়ে নেবে । এই ভাবে সাদা তুলােয় যে বাতি তৈরী হবে , তাকে পূর্বোক্ত তেলে ভরা প্রদীপে রাখবে । তারপর কাকের খাচাটি ঠিক মাঝখানে এনে , উক্ত প্রদীপ খাচার ওপর রেখে জ্বালিয়ে দিতে হবে। এবার নিজে খাচার সামনে বসে নিম্নলিখিত মন্ত্র উচ্চস্বরে ৪১ বার পাঠ করবে ।
মন্ত্র—
কালা কওয়া আধী রাত ।
কালা ভেঁজু আধী রাত।
জহ্ ওহ্হ আওয়ে আধী রাত ।
তন মুঝ লাগে সারী রাত ৷
কওয়া ওয়ীর অমুক কো লাও ।
ব্যায়রী কো উঠা লাও |
সােতীকো জগা লাও ।
খড়ী কো দওড়া লাও ।
হামলায় ফিহা লাও ।
জোন , লাওয়ে তাে সগী বহি ।
ভাজী কে সির পর পগ ধরে ।
যখন মন্ত্রর জপ সংখ্যা ৪১ পূর্ণ হবে । তখন প্রদীপের বাতিটিকে অল্প অল্প বাড়িয়ে সব তেল পুড়িয়ে ফেলবে। তারপর প্রদীপটি কাকের খাচা থেকে তুলে সাবধানে অন্যত্র রাখবে । দ্বিতীয় দিন প্রাতঃকালে জঙ্গলে গিয়ে ঐ প্রদীপটি মাটিতে পুঁতে দিতে হবে । দ্বিতীয় নতুন প্রদীপ তৈরী করে পূর্বের ন্যায় সমস্ত ক্রিয়া করবে । এইভাবে ২১ দিন পর্যন্ত করবে ও প্রদীপ প্রতিবারেই জঙ্গলে মাটিতে পুঁতে দেবে । ২১ দিন এই ক্রিয়া পূর্ণ হয়ে গেলে , আবার একটি পূর্বরূপ যন্ত্র লিখে কাকটির ডান পায়ে বেঁধে দেবে ও রাত্রি ১২ টা পর কাকটিকে যেখানে ধরেছিলে সেখানে ছেড়ে দেবে। কাকটিকে ছেড়ে দেবার পর মুখ পিছনদিকে ঘুরিয়ে , কোনও দিকে না তাকিয়ে নিজের ঘরে আসবে এবং বিছানায় শুয়ে পড়বে। এই ক্রিয়া সমাপ্ত হবার এক সপ্তাহ মধ্যে অভিলষিত নারী , যেমন কঠিন হৃদয় হােক না কেন, আকর্ষিত হয়ে সাধকের কাছে আসবে।
বিঃ দ্রঃ — পূর্বোক্ত মন্ত্রে যেখানে ‘ অমুক ’ শব্দ আছে , যেখানে নারীর নাম উচ্চারণ করতে হবে। যন্ত্রের মধ্যেও ‘ অমুক ’ শব্দ স্থলে নারীর নাম লিখতে হবে।
জ্ঞাতব্য: সকল মন্ত্র-তন্ত্র ভালো কাজে ব্যবহার করুন। খারাপ কাজে মন্ত্র-তন্ত্রের ব্যবহার নিজের ক্ষতির কারণ হতে পারে। তাই ভালো গুরু ধরুন এবং তার অনুমতি নিয়ে কাজ করুন। গণক্কার কখনোই খারাপ কাজে অনুমতি দেয় না এবং এই বিষয়ে কোন দায় গ্রহণ করে না।
